সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সাম্প্রতিক লেখাসমূহ

ম্যাচিউরিটি X শাওন সিকদার

ম্যাচিউরিটি হচ্ছে যখন আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন যে "মানুষ মূলত এক"। হ্যা বুঝতে পারছি আপনার অনেক বন্ধুবান্ধব আছে যারা আপনাকে জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসে, আপনার জন্য সব ধরনের স্যাক্রিফাইস করতে প্রস্তত, আপনার একজন প্রেমিকা আছে যে আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসে, লয়ালটির দিক থেকে সে অতুলনীয়, আপনার জীবনে থাকার লিস্টে বলার মতো এমন বহু আইটেম আছে, তবুও আমি ঘুরেফিরে একই কথা বলবো, " মানুষ মূলত একা "। সাধারনত মানুষ ম্যাচিউরিটি বলতে কী বুঝে? ফেসবুকীয় আবেগী লেখকদের দাঁড়িপাল্লায় যখন আপনি মাপবেন তখন হয়তো নিজের একাকীত্ব নিজের দুর্ভাগ্য গুলোকে চুপচাপ মেনে নেওয়াকেই ম্যাচিউরিটি বলে। আপনার ফ্যামিলির কাছে হয়তো আপনার জীবনের যাবতীয় দুঃখ গুলোকে কবর দিয়ে হাসিমুখে তাদের ভরন পোষন করতে পারাটাই আপনার ম্যাচিউরিটি। আপনার বন্ধুদের কাছে হয়তো আপনার পারিবারিক ব্যেক্তিগত সমস্যাগুলো মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে তাদের সাথে তাল মিলিয়ে আড্ডা দিতে পারাটাই ম্যাচিউরিটি। আপনার স্কুলের টিচারের কাছে হয়তো তাদের কথায় উঠবস করাটাই ম্যাচিউরিটি, পাশের বাড়ির আন্টির কাছে হয়তো আপনার বুয়েট মেডিকেল এ চান্স পাওয়াটাই ম্যাচিউরিটি। প্রে...

কীভাবে বন্ধু বানাবেন?- শাওন সিকদার

1.ব্যেক্তিত্ব বজায় রাখুন। যাই হোক কেউ যেন অপমান করতে পারে বা ছোট করতে পারে এমন কাজ করবেন না।

2.চরিত্র সামলে রাখুন। বন্ধুদের কাছে নিজের দুশ্চরিত্রের প্রমান দিয়ে হিরো হওয়া যায় কিন্ত সম্মান পাওয়া যায় না। বন্ধুরাও সম্মান করে এটা জানেন?

3.কারো বদনাম করবেন না। কখনো কারো বদনাম করবেন না। এক বন্ধুর কাছে অন্য বন্ধুর বদনাম করা যাবে না। যার কাছে বদনাম করবেন সে প্রথমত খারাপ ভাববে এই কারণে যে আপনি কারো বদনাম করছেন। আর ২ নাম্বার আপনি তার বদনাম করবেন না এমন কোন গ্যারান্টি নেই। এই কাজ করলে একদম শেষ হয়ে যাবেন।



4.সবাইকে সম্মান দিন। কাউকে অপমান করবেন না। একটা ফ্রেন্ড সার্কেলে সবার সব কিছুর সক্ষমতা সমান থাকে না। কেউ হয়তো পড়ালেখায় ভালো কেউ হয়তো খেলাধুলায়। আপনি ভালো পড়া পারেন অন্য জন পারে না এজন্য তাকে ছোট করে দেখবেন না। সে হয়তো অন্য কিছুতে ভালো। আপনার কথায় কখনো যেন নূন্যতম অহংকার প্রকাশ না পায়। পারলে তাদের সাথে এমন আচরণ করুন যায়ে তারা আপনার সাথে চলতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করে।সবার প্রশংসা করুন।এটাও বড় গুন।

5.কার বাবা কি করে এসব কখনো জিজ্ঞেস করবেন না। সবার সক্ষমতা এক না। বন্ধু বন্ধুই। বাবার টাকা পয়সা দিয়ে কিছু আসে যায় না। এসব হিসাব করলে বড় মারা খাইবেন।

6.স্যাক্রিফাইস করতে শিখুন। বন্ধু থাকবে আর স্যাক্রিফাইস করবেন না এটা কখনো সম্ভব না। বন্ধুবান্ধবদের জন্য অনেক কিছু স্যাক্রিফাইস করতে হয়। আবার অনেক কিছু পাওয়াও যায়।

7.ভালো উদ্যেগ নিন। বন্ধুদের সাথে মিলে যে কোন একটা ভালো কাজের উদ্যেগ নিতে পারেন কিংবা কেউ ভালো কাজ করলে তার সঙ্গ দিতে পারেন।

8.ফ্যামিলির পরে আপনার বন্ধুর অভিভাবক আপনি। তার ভালো মন্দে অন্তত একবার হলেও প্রতিবাদ করুন। সে যেন কখনো ভুল পথে না যায় খোজ রাখুন। অবশ্যই সে আপনার খোজ নিবে বিপদের সময়। এভাবে চললে আশা করি বন্ধুবান্ধবের ভালোবাসা পাবেন।আমি ব্যেক্তিগত ভাবে এভাবে চলি।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় লেখাসমূহ