সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সাম্প্রতিক লেখাসমূহ

ম্যাচিউরিটি X শাওন সিকদার

ম্যাচিউরিটি হচ্ছে যখন আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন যে "মানুষ মূলত এক"। হ্যা বুঝতে পারছি আপনার অনেক বন্ধুবান্ধব আছে যারা আপনাকে জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসে, আপনার জন্য সব ধরনের স্যাক্রিফাইস করতে প্রস্তত, আপনার একজন প্রেমিকা আছে যে আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসে, লয়ালটির দিক থেকে সে অতুলনীয়, আপনার জীবনে থাকার লিস্টে বলার মতো এমন বহু আইটেম আছে, তবুও আমি ঘুরেফিরে একই কথা বলবো, " মানুষ মূলত একা "। সাধারনত মানুষ ম্যাচিউরিটি বলতে কী বুঝে? ফেসবুকীয় আবেগী লেখকদের দাঁড়িপাল্লায় যখন আপনি মাপবেন তখন হয়তো নিজের একাকীত্ব নিজের দুর্ভাগ্য গুলোকে চুপচাপ মেনে নেওয়াকেই ম্যাচিউরিটি বলে। আপনার ফ্যামিলির কাছে হয়তো আপনার জীবনের যাবতীয় দুঃখ গুলোকে কবর দিয়ে হাসিমুখে তাদের ভরন পোষন করতে পারাটাই আপনার ম্যাচিউরিটি। আপনার বন্ধুদের কাছে হয়তো আপনার পারিবারিক ব্যেক্তিগত সমস্যাগুলো মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে তাদের সাথে তাল মিলিয়ে আড্ডা দিতে পারাটাই ম্যাচিউরিটি। আপনার স্কুলের টিচারের কাছে হয়তো তাদের কথায় উঠবস করাটাই ম্যাচিউরিটি, পাশের বাড়ির আন্টির কাছে হয়তো আপনার বুয়েট মেডিকেল এ চান্স পাওয়াটাই ম্যাচিউরিটি। প্রে...

ইলেকট্রনিক পণ্য ও বাংলাদেশ - শাওন সিকদার

 আগামী কয়েক দশক পর পুরো দুনিয়া রাজত্ব করবে ইলেকট্রনিক পন্য। বাংলাদেশের উচিৎ এই সময় ইলেকট্রনিক কার, জাহাজ এমন পণ্যের উপর বিনিয়োগ করা। বিজনেস ওয়ার্ল্ডে পশ্চিমারাই রাজত্ব করে যাচ্ছে কারণ তারা সবসময় সিদ্ধান্ত আগে নেয়।এইযে এখানেই প্রমাণ দেখুন। ইলেকট্রনিক পণ্যের মতো সম্ভবনাময় একটা বিজনেস যেটা এখনো ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি সেখানে তারা বিপুল ইনভেস্ট শুরু করেছে। আগামী দশকে গিয়ে এটার প্রমাণ দেখবেন। যখন পশ্চিমাদের ইলেকট্রনিক কারের বিজনেস প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে তখনো বাঙালীরা স্বপ্নই দেখতে থাকবে আমাদের বাংলাদেশ একসম উন্নত দেশ হবে। এরপর চায়না যখন আমেরিকার কপি করে ইলেক্ট্রিক কার বানাবে তখন চায়না থেকে কিছু কার কিনে এনে বলবে আমাদের ও পশ্চিমাদের মতো ইলেক্ট্রিক কার আছে। বাংলাদেশে কিন্ত মেধা এখন কম নেই। বসুন্ধরা, যমুনা এমন বড় বড় গ্রুপ গুলো এখনো সেই আদিম স্টাইল ধরে রেখেছে ব্যবসার জন্য। এদের থেকে কেউ একজন ও যদি ভালো একটা এমাউন্ট বিনিয়োগ করে ইলেকট্রনিক পন্যের জগতে আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি আগামী এক দশক পরে ইলেকট্রনিক পন্যের জগতে বাংলাদেশের বড় একটা অংশগ্রহণ থাকবে। বিলিয়ন ডলারের নতুন একটা মার্কেট হবে বাংলাদেশের। কিন্ত এই চেতনায় ভরা বাঙালীদের বুঝাবে কে ইনভেস্ট করার এটাই সঠিক সময় ! এরকম একটা বিজনেস সেক্টর এক শতকে খুব কমবার ই আসে। বিংশ শতকে সোসাল মিডিয়া, ই কমার্স, স্পেস এর মতো সম্ভবনাময় খুব অল্প কয়েকটা বিজনেস এর সেক্টর এসেছিলো। একবিংশ শতকেও আসবে এমন কিছু। ইলেকট্রনিক কার এমন একটা সেক্টর আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি। জীবাশ্ম জ্বালানি সেখানে শেষ হয়ে আসছে সেখানে ধীরে ধীরে এসবের দাম বেড়ে যাবে। আগামী দশকগুলোতে এই পৃথীবি ইলেকট্রনিক পণ্যের দিকে ঝুকবে এটাই স্বাভাবিক। পশ্চিমারা ব্যাপারটা ঠিকই বুঝতে পারছে, তারা ইনভেস্ট ও করতেছে। একদম সিম্পল একটা কাজ, বাংলাদেশে থাকা আমাদের মেধাগুলোকে ব্যবহার করো, এই সেক্টরে ইনভেস্ট করো। আগামী দশক তাহলে বাংলাদেশেরও হবে৷ বাট এগিয়ে এসে রিস্ক নিবে এমন কেউ নেই। আফসোস আর আফসোস 🙂

Join now: It's Shaon



মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় লেখাসমূহ