সাম্প্রতিক লেখাসমূহ
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
ভোলা জেলা- শাওন সিকদার
আমার রুমমেট ছিলো ঢাকা রেসিডেন্সিয়ালের এক টিচার।আমি ভাইই বলি যদিও। সেদিন হঠাৎ প্রশ্ন করে বসে
" শাওন তোমাদের ভোলার আসেপাশের কিছু জেলার নাম বলো! "
হঠাৎ করে এমন প্রশ্ন আশা করিনি। তবে লজ্জায় পড়ে গিয়েছিলাম। আসলেই আমি নিজের জেলার আশেপাশের জেলার নাম জানতাম না। পরে বললো,
" এভাবে তো হবে না শাওন! আরো চালাক হইতে হবে!"
আহা অপমান!
পরে ভেবে দেখলাম আসলেই আমি জানিনা আমার জেলা সম্পর্কে কিছু। পড়াশোনা, ইন্টারনেট এসব নিয়ে ব্যাস্ত থাকতে থাকতে কখনো সুযোগই হয়নি আর প্রয়োজন ও পরেনি এসব জানার। নিজের জেলা সম্পর্কেই জানিনা। আহা!
যারা আমার উত্তর পড়ছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলতেছি, যদি আমার মতো এমন পরিস্থিতিতে পরতে না চান আজকেই নিজের জেলা সম্পর্কে খুটিনাটি সবকিছু জেনে নিন। নইলে এসব সামান্য বিষয় নিয়ে মানুষ আপনাকে ভুলভাল জাজ করে বসে থাকবে।
আজকের এই প্রশ্নের উত্তর ও আমি জানতাম না। সব গুগল করে বের করলাম।
প্রথমেই আমার জেলা সম্পর্কে কিছু বলে নেই।
- ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠি, সৌন্দর্যের কারণে "কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ" নামে পরিচিত ভোলার পূর্ব নাম ছিলো দক্ষিন শাহবাজপুর।
- ভোলার আয়তন ৩৪০৪.৪৮ বর্গ কি.মি (১৩১৪ বর্গ মাইল)। যদি ভোলা একটি দেশ হতো তাহলে আকারে এটি পৃথিবীর ১৬৮ তম দেশ হতো। যার মানে পৃথিবীতে ২৮ টি স্বাধীন দেশ রয়েছে যেগুলো ভোলা জেলা থেকেও আয়তনে ছোট। এটা সবচেয়ে শকিং তথ্য।
- প্রায় ২০ লাখ ৪০ হাজার মানুষের দ্বীপ ভোলার কোন নিজস্ব ভাষা নেই।ভোলাই বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার নিজস্ব কোন ভাষা নেই।
- ভোলার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব: শহীদ জাতীয় বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল এবং সমাজতান্ত্রিক নেতা নলিনী দাস আর কোরাতে লেখালেখি করে শাওন সিকদার সবার জন্ম এই ভোলাতেই। ডোন্ট মাইন্ড।
এবার আসল উত্তরে আসি। জোর করে নিজের জেলা সম্পর্কে পড়ানোর জন্য দুঃখিত। আসলে অনেকেই এখনো চিনেনা আমার জেলাকে। এজন্য একটু আরকি.............
ভোলার জনপ্রিয় খাবার নাকি দুইটা। আমিও জানতাম না গুগল করে জানলাম।
১) টক দইঃ ভোলার টক দইয়ের নাম জানা নেই এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার কাছেই প্রিয় এই দই। ভোলায় পারিবারিক, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক যেকোনো অনুষ্ঠানে দই থাকবে না এমনটা হতেই পারে না। ছোট, বড় যেকোনো অনুষ্ঠানে এ খাবার তুঙ্গে। স্থানীয়রা খাবারের শেষে ভাতের সঙ্গে দই খায়। তবে নানাভাবে খাওয়া যায় এই দই। নাস্তা হিসেবেও দই খাওয়া যায়। দই চিড়ার সঙ্গে হালকা মুড়ি ও চিনি মিশিয়ে মজা করে খাওয়া যায়। গরমের মৌসুমে দইয়ের সঙ্গে হালকা পানি ও চিনি মিশিয়ে ঘোল তৈরি করা হয়। এ ঘোল গরমের দিনে মানবদেহকে ঠাণ্ডা রাখে।
ভোলা পৌর শহরের ঘোষপট্টি মহিষের দুধের দইয়ের প্রধান প্রাণকেন্দ্র। এ ছাড়াও শহরের খলিফা পট্টি মসজিদ, দিদারের গলিসহ বিভিন্ন পয়েন্টে এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এ দই পাওয়া যায়।
তথ্যসূত্রঃ এনটিভি অনলাইন
২)মিষ্টিঃ ভোলার ঘুইঙ্গার হাটের মিষ্টির সুনাম দীর্ঘকাল ধরে। অতিথি আপ্যায়ন ও জামাই আপ্যায়নে ভোলাবাসীর প্রথম পছন্দ এ দধি ও মিষ্টি বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে এ মিষ্টি উপঢৌকন হিসেবে পাঠানো হয়।
তথ্যসূত্রঃ ট্রাভেলবিডি
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
জনপ্রিয় লেখাসমূহ
স্বপ্ন কীভাবে মিলে যায়? স্বপ্নের আদ্যোপান্ত - লেখাঃ শাওন সিকদার
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
উদ্ভাসে পড়লেই বুয়েটে চান্স পাওয়া যায়? লেখাঃ শাওন সিকদার
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
বাটারফ্লাই ইফেক্টের ১৪ গোষ্ঠী - শাওন সিকদার
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
আমাদের ব্যক্তিত্বের কোন দিক পরিবর্তন করা সবচেয়ে কঠিন? - শাওন সিকদার
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
জীবনে উন্নতির আসল মানে কী? - শাওন সিকদার
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
মন্তব্যসমূহ