সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সাম্প্রতিক লেখাসমূহ

ম্যাচিউরিটি X শাওন সিকদার

ম্যাচিউরিটি হচ্ছে যখন আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন যে "মানুষ মূলত এক"। হ্যা বুঝতে পারছি আপনার অনেক বন্ধুবান্ধব আছে যারা আপনাকে জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসে, আপনার জন্য সব ধরনের স্যাক্রিফাইস করতে প্রস্তত, আপনার একজন প্রেমিকা আছে যে আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসে, লয়ালটির দিক থেকে সে অতুলনীয়, আপনার জীবনে থাকার লিস্টে বলার মতো এমন বহু আইটেম আছে, তবুও আমি ঘুরেফিরে একই কথা বলবো, " মানুষ মূলত একা "। সাধারনত মানুষ ম্যাচিউরিটি বলতে কী বুঝে? ফেসবুকীয় আবেগী লেখকদের দাঁড়িপাল্লায় যখন আপনি মাপবেন তখন হয়তো নিজের একাকীত্ব নিজের দুর্ভাগ্য গুলোকে চুপচাপ মেনে নেওয়াকেই ম্যাচিউরিটি বলে। আপনার ফ্যামিলির কাছে হয়তো আপনার জীবনের যাবতীয় দুঃখ গুলোকে কবর দিয়ে হাসিমুখে তাদের ভরন পোষন করতে পারাটাই আপনার ম্যাচিউরিটি। আপনার বন্ধুদের কাছে হয়তো আপনার পারিবারিক ব্যেক্তিগত সমস্যাগুলো মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে তাদের সাথে তাল মিলিয়ে আড্ডা দিতে পারাটাই ম্যাচিউরিটি। আপনার স্কুলের টিচারের কাছে হয়তো তাদের কথায় উঠবস করাটাই ম্যাচিউরিটি, পাশের বাড়ির আন্টির কাছে হয়তো আপনার বুয়েট মেডিকেল এ চান্স পাওয়াটাই ম্যাচিউরিটি। প্রে...

ভার্জিন বয় এগ - প্রসাবে সেদ্ধ করা ডিম! লেখাঃ শাওন সিকদার সিকদার

 আচ্ছা আপনাকে যদি প্রসাবের ভেতর সেদ্ধ করে একটা ডিম এনে দেই খাওয়ার জন্য, আপনি কি খাবেন? আপনি কনফিউজড হলে আবারো বলি, প্রসাব বা মূত্রের ভেতর যদি ডিম সেদ্ধ করে এনে দেই আপনি কি খাবেন?

যদিও আপনি খাবেন না কিন্ত,

এমনি প্রসাবে সেদ্ধ করা ডিম, নাম 'ভার্জিন বয় এগ' এখন চীনের অন্যতম জনপ্রিয় খাবার!

শুনতে বিৎঘুটে হলেও এটাই সত্য! ডিম সাধারণত পানিতে ফুটিয়ে সেদ্ধ করা হয় কিন্ত এই চীনের মানুষ তো ভিন্ন কিছুই করে দেখালো! চীনের জোজিয়াংয়ে এটা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে! এই চীনের মানুষেরা তো দেখি খাওয়া দাওয়া কে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে।

বাঙালীর যেমন শীতকাল আসলেই চিতই, ভাপা খাওয়ার প্রচলন আছে, ঠিক তেমনি তাদের বসন্তকাল আসলেই এই প্রসাবে সেদ্ধ করা ডিম খাওয়ার প্রচলন!

মূলত চীনের জোজিয়াং প্রদেশের ডোংইয়ঙে এই 'ভার্জিন বয় এগ পাওয়া যায়!" স্থানীয় ভাষায় একে 'তোংজি ডেন' বলে!

বসন্তকাল আসলেই স্কুলের ছেলেদের প্রসাব সংগ্রহ করা শুরু হয়! সেই প্রসাবে ডিম ডুবিয়ে রাখা হয়! সেই প্রসাবে ডিম সেদ্ধ করার পর ডিমের খোসা ছাড়ানো হয়! তারপর আবারো প্রস্রাবে ফোটানো হয় যাতে ডিমের থেকে প্রস্রাবের গন্ধ আসে।

যদিও আমরা জানি মূত্রত্যাগের মাধ্যমে দেহ আমাদের শরীরের আবর্জনা, বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয় সে হিসেবে সেই মূত্রে কোনকিছু সেদ্ধ করা হলে সেটা বিষাক্ত পদার্থে ভরপুর হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্ত এই চীনাদের রয়েছে আজগুবি যুক্তি। এটা খেলে নাকি দেহের রক্ত সঞ্চালন, শক্তি বৃদ্ধি পায়। জ্বর সর্দি নাকি হয় না! যেসব যুক্তির কোন ভিত্তি নেই। কিন্ত সেখানকার স্থানীয়রা এটার ঔষধি গুনেও বিশ্বাসী।

ডিমের এমন অদ্ভুত নামের পেছনেও একটা কারণ আছে! যেহেতু ডিম সেদ্ধ করতে অবিবাহিত পুরুষের প্রস্রাব সংগ্রহ করা হয় এজন্য এর নাম 'ভার্জিন বয় এগ'

এখন প্রশ্ন হচ্ছে.....

থাক আর জিজ্ঞেস করলাম না :)

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় লেখাসমূহ