আমার লেখা সব কবিতা একসাথে। বাপ্রে গুনতে বসে আমিও অবাক। কীভাবে যেন ৩৫ টা কবিতা হয়ে গেলো।
(১)
প্রিয়,
বসন্ত ফুরিয়ে গেছে,
কতশত দিয়ে নিয়ে গেছে,
ডায়েরির কিছু পাতা বাকি,
লেখাগুলো জীবন্ত আছে,
ডায়েরিটা সাক্ষী আছে।
প্রিয়,
দিন কাটে ব্যস্ততা ঘিরে,
দিন শেষে ফেরা হয় নীড়ে,
ইচ্ছেটা তুমিতে ফেরার,
বসন্তে হারিয়ে গেছে,
ডায়েরিটা সাক্ষী আছে।
প্রিয়,
নদীপাড়ে কাশফুল ফুটে,
কত প্রেমী সুধা পানে ছুটে,
ইচ্ছেটা তুমিতে ছুটার,
বসন্তে হারিয়ে গেছে,
ডায়েরিটা সাক্ষী আছে।
প্রিয়,
সারি সারি সোডিয়াম বাতি,
রোজ রাতে জলে নিরবধি,
ইচ্ছেটা তুমিতে চলার,
বসন্তে হারিয়ে গেছে,
ডায়েরিটা সাক্ষী আছে।
কবিতাঃ ডায়েরিটা সাক্ষী আছে
লেখকঃ শাওন সিকদার
(২)
দিনের শেষে নদীর পাড়ে,
সূর্য্যি মামা ঘুমিয়ে পড়ে।
ইচ্ছে কত,স্বপ্ন শত,
খোপা চুলের কাঠির মতো।
বেলার শেষে সিগ্ধ হাওয়ায়,
খোলা চুলের অসীম মায়ায়,
হারিয়ে যেতে চাই।
বন্ধু ইচ্ছে করে তাই!
আকাশ ভরা মেঘের মেলা,
স্নিগ্ধ বাতাস,বিকেল বেলা।
চলছে নাও,নড়ছে পানি,
দুলছে তোমার নুপুর খানি।
বেলার শেষে স্নিগ্ধ হাওয়ায়,
নুপুর পায়ের অসীম মায়ায়,
হারিয়ে যেতে চাই।
বন্ধু ইচ্ছে করে তাই!
মেঘের শেষে,নীল আকাশে,
দিনের আলো ফুরিয়ে আসে।
স্নিগ্ধ হাওয়া শেষের বেলায়,
ছুইছে তোমায় অসীম মায়ায়।
সবুজ পাতার আড়াল দিয়ে,
ইচ্ছে তোমায় বাতাস হয়ে,
ছুইয়ে যেতে চাই।
বন্ধু ইচ্ছে করে তাই!
কাশফুলেরা নদীর তীরে,
স্নিগ্ধ বাতাস,দুলছে ধীরে।
হাসছো তুমি মুচকি করে,
দেখছে তারা,নয়ন ভরে।
শেষ বিকেলের স্নিগ্ধ হাওয়ায়,
ইচ্ছে তোমার মুচকি হাসায়,
তাকিয়ে থাকিতে চাই।
বন্ধু ইচ্ছে করে তাই।
ডুবছে সুরুজ,নিভছে আলো,
আকাশ হবে আধার কালো।
প্রকৃতি আজ শুনছে তোমায়,
মত্ত তোমায় গানের নেশায়।
গাইছো তুমি হৃদয় ভরে,
মনটাকে আজ উজার করে,
আজকে তোমার গানের নেশায়,
মত্ত হতে চাই।
বন্ধু ইচ্ছে করে তাই!
কবিতাঃবন্ধু ইচ্ছে করে তাই
লেখকঃশাওন সিকদার
(৩)
ঝিলিক মেরে, মুক্তো ঝড়ে
দুপুর শেষের পুকুর পাড়ে!
হালকা বাতাস, নড়ছে পানি
ভালোবাসি অনেকখানি।
গাছের পাড়ে হলদে ছায়ায়,
ভুগছি আমি তোমার মায়ায়!
পুকুর পাড়ের সুন্দরেরা,
যাচ্ছে বাড়ি, আনছে ঘোড়া!
সুন্দরদের আজকে বিয়ে,
লিখছি আমি তোমায় নিয়ে!
হঠাৎ করে, পুকুর পাড়ে
আলতো করে ঝিলিক মারে!
ঢেউয়ের সাথে মুক্তো মনি,
ভালোবাসি অনেকখানি।
নীল দুনিয়ায় উড়ছে পাখি
মেঘের ভাজে তোমায় দেখি!
যাচ্ছে পাখি আকাশ দিয়ে,
স্বপ্ন দেখি তোমায় নিয়ে!
পাখিরা হঠাৎ বললো শুনি,
ভালোবাসি অনেকখানি।
বেলার শেষে পুকুর পাড়ে,
হলদে ছায়া ঘুমিয়ে পড়ে!
বন্ধু যত সম্পর্ক যত,
পুরনো হলে ঝিমিয়ে পড়ে!
নতুন করে পুরনো বেশে,
রোজ সকালে সূর্য হাসে!
শেষের বেলায় ঘুমিয়ে গেলেও,
পরের বেলা জাগবে জানি!
ভালোবাসি অনেকখানি।
ভালোবাসি অনেকখানি
শাওন সিকদার
২১/৮/২০২১
(৪)
মেঘলা আকাশ, ঠান্ডা বাতাস,
মেঘনা নদীর ঢেউ!
একলা আমি, অচিন পথে,
সঙ্গী নেই কেউ!
অপর পাশের চেয়ার ফাকা,
আমি ভীষণ বড্ড একা!
একটা তুমির তীব্র নেশা,
হাতটা ছোয়ার দুষ্টু আশা!
মনের ভেতর করছে বাসা!
হয়তো এটাও ভালোবাসা!
রিম ঝিম ঝিম বৃষ্টি ঝরে,
ঠান্ডা বাতাস, আছড়ে পরে!
মেঘনা নদীর বজরা মাঝে,
চায়ের কাপের ধোয়ার সাজে,
তোমায় নিয়ে মত্ত হওয়ার,
দুষ্টু ভীষন তীব্র নেশা!
বৃষ্টি ঝরের শব্দ মায়ায়,
হৃদয় মাঝে গড়ছে আশা!
হয়তো এটাও ভালোবাসা।
বজরা কোনে,আপন মনে,
করছে দুজন,হৃদ আলাপন!
আমি বজ্জাত ঘাপটি মেরে,
দেখছি তাদের চুপটি করে!
তোমার সনে,বজরা কোনে,
রাত্রী জাগার তীব্র নেশা!
বাচ্চা ছেলের অবুজ মনে,
আস্তে ধীরে গড়ছে বাসা!
এটাও হয়তো ভালোবাসা।
অপর কোনে তাহার কাছে,
তাহার তিনি ঘুমিয়ে আছে!
হাতটা গায়ে,ধরটা বুকে,
ঘুমিয়ে তারা পরম সুখে!
বিশ্বাসেরা তাদের মাঝে,
ঘাপটি মেরে লুকিয়ে আছে!
আমার বুকে তোমায় নিয়ে,
রাত্রী জাগার দুষ্টু আসা!
পিচ্চি ছেলের বাচ্চা মনে,
ভীষন ভাবে ধরছে নেশা!
এটাও হয়তো ভালোবাসা!
কবিতাঃ এটাও হয়তো ভালোবাসা
লেখাঃ শাওন সিকদার
(৫)
এলোমেলো ছুটে চলে সাগরের ঢেউ,
শেষ রাতে একা আমি সাথে নেই কেউ!
একা একা বসে আমি তোমাকেই ভাবি,
এই মনে তুমি তাই, আমি আজ কবি!
তোমার আমার স্মৃতিতে ডায়েরিটা ভরা,
তাদের সাথে খেলা করে কাঠ গোলাপেরা!
একা আমি, কোথা তুমি? তোমায় প্রয়োজন!
কার মুখে হাসি ফোটাও,কার প্রিয়জন !
এত ভালোবাসি তবু, বুঝোনা কেন তুমি?
হয়তো এতো ভালোবাসি জানোনাকো তুমি!
দুখ গুলো মুছে দিয়ে,ধুয়ে দেয় মন,
বজরার ধেয়ে আসা ঠান্ডা পবন!
পবনেরা জানেনাকো তুমি আছো কই,
কাকে এত ভালোবেসে রাত জেগে রই!
হুট করে মনে আসে নয়নতারার হাসি,
মিষ্টি সে হাসি আমি বড় ভালোবাসি!
আমার সেই তারা আজ কার জন্য হাসে?
কাকে কথা দিয়ে সে কাকে ভালোবাসে?
শখের সেই গায়ক আজ গাইতে ভুলে গেছে!
হারাও নাকি নতুন সুরে,অতীতরা সব মিছে!
তবু তোমার জন্য গাইবো আমি, বেচে আছি যতদিন
হয়তো তুমি দেখতে আসবে শেষ বিদায়ের দিন!
সেদিন যদি জানতে পারো এত্ত ভালোবাসি,
আমায় মনে মিষ্টি করে দিও একটা হাসি!
কবিতাঃ দুঃখ বিলাস
লেখকঃ শাওন সিকদার
(৬)
জীবন নামক নদের উপর,
ঘোলাটে জল, বইছে সূদুর!
স্রোতের সাথে যাচ্ছে ধেয়ে,
ঘোলাটে জলের ধাক্কা খেয়ে!
কালবৈশাখীর ঝড়ো বিকেলে,
আমার তরী ডুবছে তলে!
স্রোতের মতো বাস্তবতায়,
জীবন নদের নির্মমতায়!
আমার জীবন থমকে গেছে,
স্বপ্ন গুলো ঘুমিয়ে আছে!
থমকে যাওয় জীবন ঠেলে,
ঝড়ের কালে, শেষ বিকেলে!
"প্রিয় আগন্তুক!তুমি কেন এলে?"
সূর্য এখন অস্তগামী,
ফাকা তরীর নাবিক আমি!
গন্তব্যহীন অচেনা পথে,
যাচ্ছি ভেসে, স্বপ্ন সাথে!
জীবন নদী বড্ড ফাকা,
আমি ভীষণ একলা একা!
যাচ্ছি ভেসে দূর বহুদূর,
সকাল সন্ধ্যা বিকেল দুপুর!
সবুজ পাড়ের ঘোলাটে রেখা,
পেতেও পারি শেষের দেখা!
একলা হওয়া জীবন ঠেলে,
ঝড়ের কালে, শেষ বিকেলে!
"প্রিয় আগন্তুক! তুমি কেন এলে?"
কবিতাঃ প্রিয় আগন্তুক! তুমি কেন এলে?
লেখকঃ শাওন সিকদার
২৩/১০/২০২১
৭)
এলোকেশী,
তোমার কৃষ্ণ কালো চুল,
তোমার খোপায় গোঁজা ফুল!
তোমার মিষ্টি ঠোটের হাসি,
আমি ভীষন ভালোবাসি!
প্রেয়সী,
তোমার ঠোটের নিচের তিল,
আমার নড়বড়ে এই দিল!
তোমার ঘোর লাগানো হাসি,
আমি ভীষণ ভালোবাসি!
রুপসী,
তোমার কাজল কালো চোখে,
আমি ইচ্ছে করেই ফাসি!
তোমার চোখ জুড়ানো হাসি,
আমি ভীষণ ভালোবাসি।
শ্রেয়সী,
তোমার নুপুর পায়ের মায়ায়,
আমি নিয়ম করে ফাসি!
তোমার গোলাপী ঠোটের হাসি,
আমি ভীষণ ভালোবাসি।
প্রেমসী,
তোমার মিষ্টি গানের গলায়,
আমি ইচ্ছে করেই ভাসি!
তোমার হৃদয়খোলা হাসি,
আমি ভীষণ ভালোবাসি!
কবিতাঃ ভালোবাসি
লেখকঃ শাওন সিকদার
১৬/১২/২০২১
৮)
বিশ্বাস করো তুমি প্রিয়,
আমি তোমায় ভালোবাসি!
একা একা কত স্বপ্ন বুনি,
ভেবে তোমার সেই হাসি!
আমার প্রতিটি রক্তের ফোটা,
তারা তোমায় ভেবে চলে!
আমার প্রতিটি নিঃশ্বাস,
শুধু তোমার কথা বলে!
আমার বয়ে চলা অস্তিত্বে,
অজান্তে মিশে গেছো তুমি!
তোমার হরনী চোখের মায়ায়,
দ্বিকবিদিক হারানো আমি!
তোমার অগোছালো চুলের,
অজানা কি এক নেশায়!
তোমার মিষ্টি সে হাসি,
আবার দেখার আশায়!
তোমার নুপুর পড়া সেই পায়ে,
আলতা দেওয়ার যে তেস্টা!
তোমাকে কতটা ভালোবাসি,
বুঝানোর ব্যার্থ প্রচেস্টা!
বলেছিলে তুমি ভালোবাসোনা,
তুমি আমার কথা ভেবে হাসোনা!
আমি তোমাকে ভেবেই প্রিয় হাসি,
আমি তোমার স্বপ্নে বিভোর হয়ে ভাসি!
বুক ফাটা কষ্টের তীব্র হাহাকার,
করুণ সমাপ্তি, এ অসীম ভালোবাসার!
ভালোবাসার এই অপ্রাপ্তি ,
থেকে যাবে আমরন!
এ কেমন প্রহসন!
কবিতা/গানঃ এ কেমন প্রহসন
লেখকঃ শাওন সিকদার
২৮/১২/২০২১
৯)
আধাছেড়া তার টানা,
দুর্বল ভঙ্গুর!
পুরনো এক গিটারের,
মলিন সে কি সুর!
কাকে ভেবে বাজে রোজ?
অসময় অবেলায়!
কিসের আশায় আবিরাম?
ভাসছে সুরের ভেলায়!
সে কেবল দেখেছে,
পুরনো কি এক গিটার!
সুর ধরানোর চেস্টায়,
অজানা বাদ্যকার!
বুঝেনি মলিন সুরের,
আতর্নাদ ভালোবাসার!
দেখেনি বাদ্যকারের,
অশ্রু চোখের হাহাকার!
বুঝেনি কখনো সে,
বাদ্যকারের মলিন সুরের ভাষা!
বুঝেনি কখনো সে,
বাদ্যকারের সুর ফিরে পাওয়ার আশা!
দেখেনি কখনো সে,
বাদ্যকারের আটকে আসা নিঃশ্বাস,
দেখেনি কখনো সে,
বাদ্যকারের ভাঙাচোরা বিশ্বাস!
বলেনি কখনো সে,
হবে বাদ্যকারের সেই সুর!
বলেনি হারাবে সে,
বাদ্যকারের সাথে, দূর বহুদূর!
আজও অবিরাম বেজে যায়,
শুনবে শুধু সে, সেই আশায়!
শুনেনি সে সেই সুর,
দেখেনি লুকোনো ছায়া!
চলে গেছে বহুদূর,
মারিয়ে সে সুরের মায়া!
চলে গেছে প্রিয়তমা,
নতুন সুরের খোজে!
পুরোনো সেই বাদ্যকার,
আজও রোজ করে সাজে!
ভঙ্গুর সেই গিটার,
আজও নিয়ম করে বাজে!
ভাঙাচোরা সেই গিটারের,
পুরোনো সেই সুর!
আজও বেজে চলে রোজ,
সকাল সন্ধ্যা দুপুর!
শুধু নেই তার প্রিয়তমা,
ভালোবাসা, অপূর্ণতায় ভরপুর!
কবিতাঃ বাদ্যকার
লেখকঃ শাওন সিকদার
৪/১/২০২১
৩ঃ০৩ AM
১০)
উহুম উহুম! আসছো আবার?
গেলাম কবে? মারবো আবার!
রাগছো কেন? হাসবো নাকি?
আদর করো! মুখটা দেখি!
একটা চুমু! আবার শুরু!
ভাল্লাগেনা! যাওতো ধুরু!
লক্ষীসোনা! এখন রাখো!
একটা কথা! বলতে থাকো!
পড়বে নুপুর? কাজতো এখন!
বিকেল বেলা? দেখবো তখন!
আলতা পোরো! দেখবো আমি!
একটা চুমু! যাচ্ছো তুমি?
মিষ্টিপাখি! জ্বালাও কেনো?
একটা কথা! শেষ হয় যেন!
ঘুরতে যাবা? কোথায় নিবা?
সাজেক ভ্যালি? কখন যাবা?
ইচ্ছে কখন? কালনা কেন?
আচ্ছা সোনা! ভুলোনা যেন!
মেঘবতী! পাম দিওনা!
ভালোবাসি! লাভ হবেনা!
একটা চুমু! আবার শুরু!
একটা প্লিজ! যাওতো ধুরু!
পচা তুমি! পচাই ভালো!
কেমনে ভালো? কালোতে আলো!
ফুচকা খাবা? ভাল্লাগেনা!
চক্লেট দিলে? লাভ হবে না!
বড্ড পচা! এমনি আমি!
রাগ করেছি! যাচ্ছো তুমি?
মিষ্টি বউ! হতচ্ছাড়া!
যাচ্ছি আমি! একটু দ্বারা!
কবিতাঃ রাগী বউ
লেখকঃ শাওন সিকদার
১৭/২/২০২২
১০ঃ০০ PM
১১)
দেখছো কি যে? চাঁদের আলো!
চলছে কেমন? এইতো ভালো!
ভালো কেমন? দেখছো যেমন!
বলবে কি আজ? হৃদ আলাপন!
সব তো শেষ! জানিতো আমি!
ভালোবাসো? অনেকখানি!
নুপুর কোথায়? পড়িনা তো আর!
বদলে গেছো! ইচ্ছে আমার!
ভুলেছো আমায়? স্মৃতি যে কাদায়!
আমার ভুলে? তোমার মায়ায়!
একটু হাসো! ভালোবাসো?
অনেকখানি! সবই জানি!
কাঁদছো কেন? সবই জানো!
আফসোস লাগে? একটু হচ্ছে!
হাসোতো দেখি! কান্না পাচ্ছে!
নিয়তি যে সব! বড্ড কঠোর!
করবে কি আর? গুনবো প্রহর!
সুখের জন্য? কারণ অন্য!
কিসের কারণ! মরবো কখন!
বোলোনা এসব, পাচ্ছে হাসি!
ভালোবাসি! আমিও বাসি!
কতখানি? অনেকখানি!
কাদবে না বলো! আমি কি জানি!
একটু হাসো! হাসতে বারণ!
বলতো কেন? তোমার কারণ!
যাচ্ছি যে আজ! আবার কবে?
ভাগ্য যেদিন.... সহায় থাকে?
এমন কিছুই! কাদবো আমি!
কেদোনা প্লিজ! যাও তো তুমি!
একটু হাসো! পায়না হাসি!
ভালো যে বাসি! আমিও বাসি!
কবিতাঃ বিচ্ছেদ
লেখক শাওন সিকদার
১/১৬/২০২২
১১ঃ১৫ PM
১২)
আবার যেদিন মন খারাপের দেশে,
মিষ্টি স্মৃতি বৃষ্টি হয়ে পড়বে!
শব্দকারের কল্প তুলির রেশে,
উষ্ণ স্মৃতি তুষার হয়ে ঝড়বে!
সেদিন আবার লিখবো,
স্বপ্নদেশের কল্পকথার ছোয়ায়,
তোমায় আমি আঁকবো!
আবার যেদিন কৃষ্ণচূড়ার বেশে,
কষ্টগুলো ফুলের মতো ফুটবে!
গল্পকারের কল্পকথার দেশে,
দুঃখগুলো প্রাপ্তি নামে রটবে!
সেদিন আবার লিখবো!
স্বপ্নদেশের কল্পকথার ছোয়ায়,
তোমায় আমি আঁকবো!
আবার যেদিন দুর্ভাবনার শেষে,
শান্তি নামের সন্ধ্যাতারা উঠবে!
শেষ বিকেলের লালচে মেঘের বেশে,
মুক্তি নামের যুক্তিটুকু জুটবে!
সেদিন আমি লিখবো!
স্বপ্নদেশের কল্পকথার ছোয়ায়,
তোমায় আমি আঁকবো!
কবিতাঃ সেদিন আবার লিখবো
লেখকঃ শাওন সিকদার
১৯/১/২০২২
২ঃ০০ AM
১৩)
দুঃখ!
সেটা কি ভায়া?
হৃৎপিন্ডের হাট্টিমাটিম খেলা?
বা পাজরের চিনচিন করা জ্বালা?
সেটাকে তুমি দুঃখ নামে ডাকো?
বোকার হদ্দ, কোন কাননে ঘুমিয়ে তুমি থাকো?
কান্না!
সেটা কি ভায়া?
ক্লান্ত চোখের হঠাৎ আসা জল?
অশ্রু চোখে কালবৈশাখীর ঢল?
সেটাকে তুমি কান্না নামে ডাকো?
বোকার হদ্দ, কোন কাননে ঘুমিয়ে তুমি থাকো?
কষ্ট!
সেটা কি ভায়া?
নিশুতি রাতের আটকে আসা শ্বাস?
এক পলকে ভেঙে যাওয়া বিশ্বাস?
সেটাকে তুমি কষ্ট নামে ডাকো?
বোকার হদ্দ, কোন কাননে ঘুমিয়ে তুমি থাকো?
মায়া!
সেটা কী ভায়া?
পুরোনো কিছু মিষ্টি মধুর স্মৃতি?
ভুলে না যাওয়ার মিথ্যে কিছু রীতি?
সেটাকে তুমি মায়া নামে ডাকো?
বোকার হদ্দ, কোন কাননে ঘুমিয়ে তুমি থাকো?
কবিতাঃ বোকার হদ্দ
লেখকঃ শাওন সিকদার
২০/১/২০২২
৩ঃ০০ AM
১৪)
বড় হয়ে গেছি বাবা তুমি দেখছো?
আগের মতো দুষ্টুমি করি না!
ওপার থেকে বাবা তুমি কি শুনছো?
তোমার ছেলে কান্না আর করে না!
যেই ভয় তুমি রোজ রোজ পেতে বাবা!
আমার ছেলে বড় হবে আর কবে?
সেই ছেলে আজ বড় হয়ে গেছে বাবা!
কান্নার আগে শতবার সে ভাবে!
আগের মতো হাতখরচ আর পাই না,
২০ টাকা করে রোজ, চায়ের বাহানা!
তোমার ছেলে বদলেছে তুমি জানোনা,
এখন আমার হাতখরচ আর লাগেনা!
দিনশেষে আজ বড্ড একা যে আমি!
আগের মতো ভরশার কেউ নেই,
অধিকার দেখিয়ে বলতে পারিনা আর,
এই জামাটাই বাবা আমার চাই!
তোমার কথাই ঠিক ছিলো বাবা বলেছো,
বাস্তবতা বড় নির্মম আর কঠোর!
কোথায় বসে বাবা তুমি আজ দেখছো?
পাচ্ছিনা কূল, হারাচ্ছি যে বার বার!
মানুষ এখানে বহুরূপী বড্ড ,
মধু মুখে তারা বুকে ছুড়ি দিতে জানে!
মানুষ এখানে নির্মম বড্ড,
দয়া বহুদূর করুনা হয়না মনে!
বাবাহীন এক মহাশূন্যে আমি ভাসছি,
ওপার থেকে হাসছো কি মনে মনে?
অশ্রু লুকিয়ে সুখীদের মতো হাসছি!
তোমার ছেলে লুকিয়ে কাদতে জানে!
আগের মতো আপন কেউ নেই আর!
সত্যি কি যেন ম্যাজিক হয়ে গেছে!
এক পলকে অনেকেই আজ পর!
তোমার কথা সত্যি ফলে গেছে!
কবিতাঃ বড় হয়ে গেছি বাবা
লেখকঃ শাওন সিকদার
২১/১/২০২২
১০ঃ৩০ PM
উৎসর্গঃ আমার ওপারে থাকা বাবা সহ পৃথিবীর সমস্ত বাবা দের উদ্দেশ্যে। ভালো থাকুক পৃথিবীর সমস্ত বাবারা। পূরণ হোক সমস্ত বাবাদের স্বপ্ন। বাবা এক অমূল্য সম্পদ! যে হারায় সে বুঝে কি হারিয়েছে!
১৫)
প্রেয়সী, তুমি এত্ত ছিঁচকাঁদুনে কেন?
তোমার কান্না দেখে বড্ড হাসি জানো?
কথায় কথায় কামড়ে কেন ধরো?
আবার ভূতের মতো জাপটে ধরে মারো!
তোমার গোলটু গালে হরিনী চোখের পানি,
আমি ভালোবাসি অনেক অনেক খানি!
তোমার কোমল হাতের কষিয়ে দেওয়া মার,
আমি খাচ্ছি কারণ - অকারণে, বার বার!
দয়িতা, তুমি মুচকি কেন হাসো?
আমার স্বপ্নে কেন নিত্য তুমি ভাসো?
তুমি আলতা পায়ে নুপুর কেন পরো?
আবার রক্তজবার পাপড়ি হয়ে ঝড়ো!
তোমার মুচকি হাসি, বড্ড ফাসি আমি!
তোমার একটু খুশি হীরার চেয়েও দামী!
তোমার নুপুর পায়ের বড্ড কি যে নেশা!
আমার অবোধ মনের নির্বোধ যত আশা!
সুরুপা, তুমি লালশাড়ি কেন পড়ো?
যেন কৃষ্ণচূড়া হয়ে তুমি জোৎনা রাতে ঝড়ো!
তোমার হরিনী নয়ন বাকিয়ে কেন রাখো?
আবার শাকচুন্নির মতো তাকিয়ে কেন থাকো?
জানো? শাড়িতে তোমায় দেবীর মতো লাগে,
আমার প্রণয়ী মনে দুষ্টু আশা জাগে!
তোমার বাকানো চোখের হৃদয়কাড়া দৃষ্টি,
যেন হঠাৎ আমার প্রেমসাগরে আছড়ে পড়া বৃষ্টি!
তুমি গোলাপী ঠোটে রং চা কেন খাও?
চোখ বুঝে কেন চায়ের স্বাদে হারাও?
তোমার চুলের খোপায় গোলাপ কেন গুজো?
আবার স্বর্গ ফেরত পরীর মতো সাজো!
তোমার গোলাপী ঠোটে, লালচে চায়ের ধোয়া!
মুষলধারে নিঝুম রাতে বৃষ্টি ঝড়ের ছোয়া!
তোমার চুলের খোপায় কাঠগোলাপের হার!
ভালোবেসে হারাবো আমি শতবার বহুবার!
কবিতাঃ মনের মানুষ
লেখকঃ শাওন সিকদার
২৩/১/২০২২
১ঃ০০ AM
১৬)
মাঝে মাঝে আমি ভাবি,
আনমনে হয়ে কবি!
মেঘ, সে কেন বৃষ্টি হয়ে পড়ে?
কান্না, সে কেন অশ্রু হয়ে ঝড়ে?
বৃষ্টি আর কান্না, একসাথে কেন ভাসে?
বৃষ্টি কি জানে, অশ্রু সে কার জন্য আসে?
মাঝে মাঝে আমি ভাবি,
আনমনে হয়ে কবি!
বাতাস, সে কেন শীতল হয়ে বয়?
চাঁদ, সে কেনো আলোকিত হয়ে রয়?
শীতল বাতাস, সে কী প্রেমিকের জন্য আসে?
আলোকিত চাঁদ, সে কী প্রেয়সীর রুপে ভাসে?
মাঝে মাঝে আমি ভাবি,
আনমনে হয়ে কবি!
গোলাপ, সে কেন কাটার সাথে ফুটে?
ভালোবাসা, সে কেনো দুঃখ নামে রটে?
গোলাপের স্নিগ্ধতা, সে কি কষ্ট ছাড়া আসে?
ভালোবাসার পূর্ণতা, সে কি যেখানে সেখানে ভাসে?
মাঝে মাঝে আমি ভাবি,
আনমনে হয়ে কবি!
শীত, সে কেন কুয়াশার সাথে আসে?
কোকিলের গান, সে কেন বসন্তকালে ভাসে?
কুয়াশার আড়ালে কি আর, দুঃখ লুকানো যায়?
প্রেমিক সে যে বসন্তদূত, তাকে ভালোবাসা বড় দায়!
কবিতাঃ ভাবনা
লেখকঃ শাওন সিকদার
২৪/১/২০২২
11:30 PM
১৭)
রুপসী,
তুমি কি আমার কবিতা হবে?
তোমায় আমি আবেগ দিয়ে লিখবো,
আবার যত্ন করে ডায়েরি ভাজে পুষবো!
দুজন কাঠগোলাপের সাদার মায়ায় ভাসবো!
সুরূপা,
তুমি কি আমার আয়না হবে?
তোমায় নিয়ম করে নিত্য আমি দেখবো!
আমার না বলা সব গল্প তোমায় বলবো!
তোমার কান্না হাসির গল্পগুলো শুনবো!
প্রিয়ন্তি,
তুমি কি আমার একলা পথের পথিক হবে?
তোমায় নিয়ে আকাশগঙ্গায় পাড়ি জমাবো!
দুজন ইচ্ছে করে অচিন পথে রোজ হারাবো!
লাভ ক্ষতির এই জগৎ থেকে দূর পালাবো!
অপ্সরা,
তুমি কি আমার দুধ চা খাওয়ার সঙ্গ দেবে!
তুমি আয়েস করে চুপটি বসে দেখো!
আমি তোমার জন্য দুধ চা করে আনবো!
দুজন চায়ের শেষে সুখের দেশে ভাসবো!
প্রেমসী,
তুমি কি আমার বৃষ্টি ভেজার সাথী হবে?
তুমি আবার ঠান্ডা লাগার ভয় পেওনা !
দুজন নিয়ম ভেঙে বৃষ্টিতে রোজ ভিজবো!
আবার ঝড়ের রাতে অজানা সুখ খুজবো!
পরী,
তুমি কি আমার রাত্রি জাগার কারণ হবে?
তোমার হওয়া হাজার ভুলের বারণ হবো!
আবার তোমার হাসি মুখের কারণ হবো!
তোমার অশ্রু মুছে নতুন ভোরের সূর্য হবো!
দয়িতা,
তুমি কি আমার বন্ধুর পথের আশা হবে?
ক্লান্ত হলেও তোমার নামে চলবো আবার!
ভয় পাবোনা ভুল করেও পথ হারাবার!
তুমি ভরশা দিও করবো শুরু আমি বারেবার!
পূর্ণা,
তুমি কি আমার সম্পূর্ণা হবে?
আমি তোমার অপূর্নতার সমাপ্তি হবো!
আবার তোমায় যত্ন করে হৃদমাঝারে পুষবো!
তোমায় আমি ভালোবেসে আপন করে রাখবো!
প্রেয়সী,
তুমি কি কেবল একান্তই আমার হবে?
অন্য সবার মোহ থেকে মুক্ত হয়ে!
তোমায় আমি আমার করে আগলে নিবো!
প্রতিদানে এক সমুদ্র ভালোবাসা দিবো!
কবিতাঃ অপ্রাপ্তি
লেখকঃ শাওন সিকদার
২৬/১/২০২২
11:50 PM
১৮)
জীবন এখানে বড্ড বেখেয়ালি,
অবেলায় উঠে চাঁদ!
অবেলায় ডুবে সূর্য!
বেখেয়ালি জীবনে,
হয়েছে অনেক কর্য!
জীবন এখানে বড্ড অভিমানী,
অসময়ে আসে শীত!
অসময়ে পড়ে বৃষ্টি!
অভিমানী কত ভাবনা,
নতুন সত্তার সৃষ্টি!
জীবন এখানে বড্ড নিষ্ঠুর!
অকালে ডুবে স্বপ্ন!
অকালে ঝড়ে ফুল!
নিষ্ঠুর দুনিয়ার স্রোতে,
হারায় একুল ওকূল!
জীবন এখানে বড্ড দিশাহীন!
ভুল করে বয় বাতাস!
ভুল করে আসে বসন্ত!
দিশাহীন আশাহীন পথে,
বয়ে চলে অক্লান্ত!
জীবন এখানে অপরুপ বড্ড!
অকারণে আসে ঝড়!
অকারণে ভাসে জল!
অপরুপ এই দুনিয়াটা,
বড় আজব রঙ্গমহল!
কবিতাঃ জীবন
লেখকঃ শাওন সিকদার
১ঃ৩০ AM
14/2/2021
১৯)
প্রিয়তমা, ভাবছো কী?চলে যাবে বহুদূরে?
আমায় ছেড়ে, সশরীরে?অজানা তেপান্তরে?
হা হা! ভুল ভেবেছো তুমি প্রিয়!
আমি রেখে দিবো তোমায়!
তুমি থেকে যাবে আমার প্রতিটি কবিতায়!
আমার লেখা প্রতিটি ভালোবাসার সাহিত্যে!
নিরাক পরা বিকেলের সেই পুকুর ঘাটে,
পুকুর ঘাটের সবুজ ঘাসের ছায়ায়,
যেখানে আমি রোজ তোমায় নিয়ে ভাবতাম!
তোমায় ভেবে কত কবিতা লিখতাম!
তুমি থেকে যাবে আমার নির্ঘুম সব রাতে,
যে রাত আমি তোমায় ভেবে পার করতাম!
থেকে যাবে আমার অজান্তে পড়া সব অশ্রুতে,
যে অশ্রু আমার হয়েও তোমার জন্য ঝড়তো!
এরপরেও কীভাবে হারাবে তুমি প্রিয়?
তোমায় নিয়ে লেখা আমার ডায়েরিটা?
ডায়েরী সে তো মানুষ না যে বদলে যাবে!
তোমার হাসি কান্নায় আঁকা ডায়েরির পাতা?
ডায়েরির পাতা! সে তো আবেগ নয় যে হারিয়ে যাবে!
তুমি থেকে যাবে আমার ডায়েরিতে!নিভৃত যতনে!
তুমি চলে যেও বহুদূরে! যেখানে মন চায়!
সুখী থেকো তার সাথে, যাকে তুমি ভালোবাসো!
আমি তোমায় নিয়ে লিখবো, তোমায় ভেবে থাকবো!
এটুকুই হোক প্রাপ্তি, আমার অসীম ভালোবাসার!
তবুও দিনশেষে আমি, তোমায় ভালোবাসবো!
লেখাঃ প্রলাপ
লেখকঃ শাওন সিকদার
২০)
এইযে শুনুন! শুনছি বলুন!
যাচ্ছেন কোথায়? আমার মাথায়!
রাগেন কেন? কি চাই বলুন!
হারিয়েছি যে! পুলিশ ডাকুন!
মনের মামলা! চিনেন আমায়?
হঠাৎ দেখা! প্রথম দেখায়?
একটা কথা! দ্রুত করুন!
নামটা বলুন! রাস্তা ছাড়ুন!
একটু বুঝেন! বাবাকে বলুন!
ঠিকানা দিন! জানিনা সরুন!
আমি অনুপম! আচ্ছা দারুন!
চলে যাচ্ছেন? পথতো ছাড়ুন!
ভালো থাকবেন! এদিকে আসুন!
মারবেন নাকি? ব্যাগটা ধরুন!
অবাক আমি! কোথায় থাকেন?
পাশের গলি! কাজ কী করেন?
বেকার মানুষ! পড়াশোনা?
ইন্টারপাশ! হাদারাম দাস!
আচ্ছা শুনুন! শুনে কি হবে?
হৃদ আলাপন? অনুভবে!
নামতো বলুন! তিলোত্তমা!
আরেকটা কথা! রাখুন জমা!
শেষ প্রশ্ন! শেষ কি ধুরু?
বুঝিনি আমি! সবে তো শুরু!
(এন্ডিং বুঝতে সমস্যা হলে জানাবেন)
কবিতাঃ হঠাৎ দেখা
লেখাঃ শাওন সিকদার
৮/৩/২০২২
১২ঃ৩০ PM
২১)
তুমি ভীষণ ঝড়ে বৃষ্টি হয়ে নেমো,
আমি দুঃখ ঝেড়ে পানকৌড়ি হয়ে ভিজবো।
তুমি হাড় কাপানো অসুখ হয়ে এসো,
আমি দিশ হারিয়ে তোমার নেশায় ধুকবো।
তুমি শীতল রাতের ঠান্ডা বাতাস হয়ো,
আমি কষ্ট হলেও আগলে তোমায় রাখবো।
তুমি রাত্রি শেষের কুয়াশা হয়ে এসো,
আমি চাদর গায়ে তোমার মায়ায় ভাসবো।
তুমি বৃষ্টি রাতের হিচলা হয়ে এসো,
আমি মুগ্ধ হয়ে অবাক চেয়ে রইবো।
তুমি সামুদ্র পাড়ের হালকা স্রোতে এসো,
আমি চুপটি করে হৃদয় ভরে ভাসবো!
তুমি চাদনী রাতের জোনাকি হয়ে এসো,
আমি অবাক করে তোমার পরে হারাবো।
তুমি মন খারাপের কান্না হয়ে এসো,
আমি যতন করে লুকিয়ে তোমায় রাখবো!
কবিতাঃ প্রিয়তম তুমি
লেখকঃ শাওন সিকদার
১৬/৩/২০২২
১১ঃ০০ PM
২২)
অবাক হয়ে দেখছো কি তুমি,
ভালো আছি আমি কত?
মেঘ হয়ে উড়ে গেছে সব দুঃখ,
নীল রঙা আকাশের মতো?
প্রিয়তমা তুমি জানোনা!
তুমি আমার, প্রিয়তম বেদনা!
হঠাৎ কভু ভেবে উঠো তুমি,
ভুলে গেছি আমি সব?
নিশাচর এক ব্যার্থ প্রেমিকের,
সব অব্যক্ত অনুভব?
প্রিয়তমা তুমি জানোনা!
তুমি আমার, প্রিয়তম বেদনা!
গোধুলি বেলার আকাশ দেখেছো তুমি,
মলিন হয়ে সূর্য ডুবে যায়?
আমি কীভাবে হাসিখুশি আছি আজও,
ডুবে গিয়ে তুমি ডুবে আছো ভাবনায়!
প্রিয়তমা তুমি জানোনা!
তুমি আমার, প্রিয়তম বেদনা!
কবিতাঃ প্রিয়তম বেদনা
লেখকঃ শাওন সিকদার
২১/৩/২০২২
#কবিতা
২৩)
আমি ভীষণ ছন্নছাড়া এক প্রেমিক!
ঝড়ো বাতাসের চড়ুই পাখির মতো,
প্রচন্ড বাতাসে কেমন এলোপাথাড়ি উড়ে!
বেচারা চড়ুই! ঝড়ো বাতাস যেদিকে বয়,
সেদিকেই উড়ে, বাতাসের ইচ্ছেমতো!
মনে হয় নিজের কোন ইচ্ছেই নেই!
রাগ, অভিমান, অনুতাপ কিছুই নেই!
জানো, আমিও খানিকটা তেমন!
তুমি এলোমেলো অজানায় উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছো!
আমিও নির্বিকার উড়ছি, তোমার ইচ্ছেমতো!
তোমার বদলে যাওয়ার কোন রাগ নেই আমার!
তোমার অবহেলার কোন অভিমান ও নেই!
আবার, তোমায় ভালোবাসার অনুতাপ ও নেই!
আমি শুধু উড়ছি, ঘুরছি, ভাসছি!
যখন যেভাবে তোমার ইচ্ছে হয় আরকি!
আনমনে একটুখানি আশা!
তোমার প্রিয় মানুষের তালিকায়,
এক কোনে হলেও আমার নাম টা থাকবে!
হয়তো থাকবে! হয়তো না!
ঝড়ো বাতাসের দিক বুঝা বড় দায়!
-- চড়ুই পাখি
লেখাঃ শাওন সিকদার
১৭/৪/২২
২৪)
বন্ধু,
হাজার বিয়ে করিস তোরা,
সিংগেল আমি থাকবো!
তোদের সবার বউকে আমি,
নিজের বউ ই ভাববো!
বন্ধু,
যতই বলুক পড়তে তারা,
ইচ্ছে মতো ঘুরবো!
ফাইনালে তে খেয়ে মারা,
সবাই রিক্সা চালাবো।
বন্ধু,
আন্টি যেদিন রাধবে ভালো,
দাওয়াত খেতে যাবো!
খাওয়ার পরে আয়েশ করে,
কুনাম তোদের করবো!
বন্ধু,
আমার শত বিপদ হলেও,
তোদের পাশে পাই!
রক্ত সবার ভিন্ন হলেও,
আমরা সবাই ভাই!
বন্ধু,
খারাপ সময় এলে আমায়,
হাসাতে তোরা হাসিস!
পুরো পৃথিবী উল্টে গেলেও,
বন্ধু তোরা থাকিস!
বন্ধু,
সবাই আমায় ভুল ভাবলেও,
তোদের মুখে হাসি!
নিঃস্বার্থ বন্ধু তোদের,
অনেক ভালোবাসি!
কবিতাঃ বন্ধু
লেখকঃ শাওন সিকদার
১২/৪/২২
উৎসর্গঃ পৃথিবীর সব নিঃস্বার্থ বন্ধুদের।
২৫)
শুনে যা বাবা! বলেন আব্বা!
মেয়ে দেখে যা! করবো না বিয়া!
মেয়ে সুন্দরী! এইট এ পড়ি!
আমি করিনাই? দাড়িও যে নাই!
বেয়াদব তুমি! বাচ্চা আমি!
বাপের আগে চলে! পচা কথা বলে!
মেয়ে না পরী! বাপ পায়ে ধরি!
দশ টায় বিয়া! করেন গিয়া!
পাঞ্জাবী পড়! স্কুলে যাবো!
জীপ গাড়ি দিবে! কামিয়ে নিবো!
বউ পাবি বেটা! দিবে ঝাটা পেটা!
আদর করবে! প্রচুর মারবে!
কে আসছি কই? ছেড়ে দেও বাপ!
বাধ বেটারে! পাপ হবে পাপ!
নিয়ে চল ধরে! ছেড়ে দেও মোরে!
জামাই তুমি! মরে যাবো আমি!
মারবে না তো! সত্যি কও তো?
বিয়ে করে দেখ! আচ্ছা দেখি!
( ২ দিন পর)
বাবা মদন! বলেন বাজান!
বউ টা কেমন? মনের মতন!
প্রচুর মারে? আদর করে!
খুশি নি বাবা? ঈদ ঈদ লাগে!
বাজারে যা তো! বউ রেখে যাবো?
খোদা, কি জবাব! তুমি যাও বাপ!
কবিতাঃ বাল্যবিবাহ
লেখকঃ শাওন সিকদার
১০/৪/২২
বিঃ দ্রঃ যেখানেই বাল্যবিবাহ দেখবেন সেখানেই প্রতিবাদ করবেন। আর আপনার বাবা আপনাকে বিয়ে দিতে চাইলে সাথে সাথে করে নিবেন 🙂
২৬)
তুমি আমার অভিলাষী স্বপ্ন ছিলে,
নিয়তির টানাপোড়ে অকালে হারালে!
বসন্ত দূত হয়ে এলে আর গেলে,
এতখানি ভালোবেসে আবেশে ঢুবালে!
ভালোথেকো ভালোবাসা অধরা হয়ে,
আকাশ হয়ে দূর থেকে থাকবো যে চেয়ে!
তুমি আমার লুকায়িত রাফখাতা ছিলে,
রোজ কত অনুভূতি রাখিতাম তুলে!
দখিনা বাতাসে তুমি যেওনাকো ভূলে,
বসন্ত আসেনি আজও শীতকাল চলে!
অব্যাক্ত অনুভূতি জল হয়ে আসে,
আনমনে অকারণে আঁখিকোণ ভাসে!
ভালোথেকো ভালোবাসা আকাশ সমান,
দুঃখের সমুদ্র নীরব বহমান!
সুখে থেকো প্রিয়তম দোয়া করবো,
দুঃখের ভাগটুকু আমি সইবো!
কবিতাঃ ভালোথেকো ভালোবাসা
লেখাঃ শাওন সিকদার
২৭)
আমি ছিলাম আকাশের নীলিমায় মিশে,
নীল শাড়ি পড়ে তুমি জানালার পাশে!
মেঘ হয়ে ঝুম করে বৃষ্টি নামাই!
হিচলার রুপে তোমায় ছুয়ে দিতে চাই!
হুট করে জানালাটা দিলে তুমি এটে,
অস্থির হয়ে আমি ছুটি পথে ঘাটে!
না গেলো ছোয়া, না দিলে ধরা!
হারালে আবার তুমি হয়ে অধরা!
থেমে যায় বৃষ্টি, ঠান্ডা বাতাসে!
দুঃখের চিঠি লিখি দূর আকাশে!
চিঠিখানা কভু যদি খুজে তুমি পাও,
কতখানি ভালোবাসি বুঝে যদি যাও!
তবে, এরপর বৃষ্টিতে শাড়ি পড়ে সেজো,
জানালাটা খুলে তুমি হিচলায় ভিজো!
কবিতাঃ ঝুম বৃষ্টি
লেখকঃ শাওন সিকদার
৩১/৩/২০২২
২৮)
কভু যদি দেখো ভাই,
পকেট আছে মানিব্যাগ নেই!
ভয় পেয়ে যেও নাকো ভুলে,
এটাকেই ঢাকা সিটি বলে!
হঠাৎ যদি কেউ বলে,
ছুড়ি ধরে বুক তলে,
চুপচাপ দে মালামাল!
ঢাকায় ভাই এটা নর্মাল!
ঘর থেকে বের হলে,
জ্যামে কভু আটকালে!
পিঠ পাছা ব্যাথা করে ভাই,
জ্যাম তবু শেষের নাম নাই!
বাস চালায় মামাদের,
বড় নেশা মেয়েদের!
বুকে পেটে ছুয়ে দিতে চায়!
নেশাতুর হয়ে হাতরায়!
কাঠফাটা রোদতলে,
শান্তিতে খেতে গেলে,
পাশে দেখি নর্দমা ভাই!
চোখ বুঝে খেয়ে ফিরে যাই!
পাতি নেতা, বড় ভাই!
যেথা যাই প্যারা খাই!
বিচার দিলে ভাই বলে,
ঢাকা সিটি এভাবেই চলে!
নুন থেকে চুন হলে,
দাম বেড়ে গোলমেলে!
ভোগান্তি জনগণ পোহায়!
বাবুরা তো বেগম পাড়ায়!
বিষাক্ত ধুলাবালি,
তার মাঝে হেটে চলি!
মুখস্ত বুলি আওড়াই!
ঢাকা বড় উন্নত ভাই!
ভাঙাচুরো পথঘাট,
থাকা খাওয়া বিভ্রাট!
ফুটফাতে রাত্রি কাটে!
উন্নতি বাবুদের পেটে!
দিন ধারে গুলি করে,
মানুষ মারে হেলমেট পড়ে!
বাড়ি গিয়ে আরামে ঘুমায়!
সুবিচার মাঠে মারা খায়!
পদে পদে দুর্নীতি,
হয়ে গেছে মূলনীতি!
সচ্ছতা যদি কেউ চায়!
গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়!
এরপরো বলি ভাই,
লজ্জা সরম কিছুই নাই!
ঢাকা সিটি উন্নত,
আমরা ভাই গর্বিত!
কবিতাঃ ঢাকা সিটি
লেখাঃ শাওন সিকদার
২৫/৩/২২
২৯)
কখনো এমনও হয়!
কবির শব্দ ফুরোয়!
কবিতা হারায় প্রাণ!
ভালোবাসা কোরবান!
কবিরাও ভালোবাসে!
নিষিদ্ধ অভিলাষে!
আশায় বাধে বাসা!
অবাধ্য ভালোবাসা!
কবি তো কবিতা নয়!
ভালোবাসাও যে ফুরোয়!
নির্বাক কবি দেখে!
শত অভিযোগ বুকে!
কবিরা নীরবে কাঁদে!
ভালোবাসা বরবাদে!
কান্না কবিতা হয়ে আসে!
কবি কবিতা ভালোবাসে!
কবি নতুন করে হাসে!
কদিন দুঃখ বিলাশ শেষে!
কবিদের কান্না করা মানা!
কত গল্প যে অজানা!
কবিতাঃ কবির দুঃখ
লেখাঃ শাওন সিকদার
২৪/৩/২০২২
৩০)
"মাঝি, চলো না হারিয়ে যাই!
অজানায় পা বাড়াই!
শেষ থেকে করি শুরু!
সাগর পাড়িয়ে মরু!"
বলিনু আমি হেসে,
একটু খানি কেশে,
"দারুন উপহাস!
মাঝি থেকে দেবদাস! "
"হেসো না এমন করে!
ঝড় এসে যাবে পরে!
প্রেমে ডুবিয়েছো মাঝি!
জলেও ডুবাবে নাকি?"
বলিনু আমি তারে,
" ঘুরাবো নৌকা তীরে?
বেলাশেষ, ডুবে সূর্য,
তীরে আছে বহু কর্য!"
"চলতে থাকুক দ্বার,
ভয় নেই হারাবার!
ভুলে যাও মাঝি সব,
দেখো সন্ধ্যার কলরব"
"আমি সামান্য মাঝি,
দুই পয়সায় সাজি!
ভুলে যান আপা সব!
এই নিষিদ্ধ অনুভব! "
"ভালোবাসা বড় বদ,
রাখেন অনুরোধ!
আমার কি দোষ বলো?
মাঝি, দুজনা হারাই চলো!"
"বেলাশেষ আপা আজ,
বাড়িতে অনেক কাজ!
অযথা স্বপ্ন রাখুন,
আপনার পানে দেখুন!"
"এদিকে তাকাও মাঝি,
এই দেখো আমি রাজি!
তুমি বলো ডাকি কাজী,
জীবনও রাখিবো বাজী"
"বড় বাবু যদি শুনে,
ভুলেও আনমনে!
তাহলে আমার শেষ,
জগৎ হিসেব নিকেশ!"
"অযথা এসব বলো,
নোকা ঘুরিয়ে চলো!
অজানাতে পা বাড়াই,
দুজন তেপান্তরে হারাই!"
"ভীরমতি রাখুন আপা!
অনুভূতি দেন চাপা!
আমি সামান্য মাঝি,
দুঃস্বপ্নে না মজি!"
কবিতাঃ নিষিদ্ধ
লেখাঃ শাওন সিকদার
২৪/৩/২২
৩১)
প্রাক্তন,
সে উস্টা খেয়ে পড়ুক।
আছড়ে কোমড় ভাঙুক!
ল্যাংড়া হয়ে হাটুক!
হাসপাতালে ভাগুক!
প্রাক্তন,
তার দাতে পোকা ধরুক!
চুলকানিতে ভুগুক!
মাথায় উকুন উঠুক!
ইচ্ছেমতো কাঁদুক!
প্রাক্তন,
তাকে রোহিনী ভূতে ধরুক!
আচ্ছামত মারুক।
নির্ঘুম রাত জাগুক!
ভূতের ভয়ে কাপুক!
প্রাক্তন,
সে পিছলে কুয়ায় পড়ুক!
কুয়ার নোংরা জলে ডুবুক!
জলের ভইষা জোঁকে কাটুক!
রক্তশূন্যতায় ভুগুক!
কবিতাঃ প্রাক্তন
লেখকঃ শাওন সিকদার
২৩/৩/২২
৩২)
অনুরাধা তুমি চলে যাও আজ প্লিজ!
পেছন ফিরে এদিকে আর দেখোনা!
চাকরিটা আমি পাচ্ছিনা হয়তো!
বিয়ের আর্জি নিয়ে আর তুমি এসোনা!
চোখের কোনের এই দুই ফোটা পানি?
কাদছি না আমি পাগলী তুমি ভেবোনা!
ধূলো জমে আছে চোখের কোনে আজ!
ঠিক হয়ে যাবে তুমি এইদিকে এসোনা!
চলে যাও তুমি অনু আর দেরি কোরোনা!
বজ্জাত মেয়ে আবার পেছনে তাকায়!
দম আটকে বিয়ে করে নিও প্লিজ!
অনুরাধা আমি বড্ড যে নিরুপায়!
আম্মু আমার বড্ড অসুস্থ,
ওষুধ কেনার টাকাও আমার নেই!
ভাইটা আমার স্কুলে হবে ভর্তি!
স্কুল ফী কোথা থেকে আমি দেই?
বৃদ্ধ বাবার চোখে আজও কত স্বপ্ন!
বোনের এখনো স্কুল ফি বাকি!
অসহায় এক বড় ছেলে আমি অনু!
কীভাবে আমি দ্বায়িত্ব দেই ফাকি?
চাকরি যে আমি খুজে খুজে বড় ক্লান্ত!
ভিটে মাটি ছাড়া কোন সম্বল নেই!
দিনশেষে আমি বড্ড অসহায় !
বলো একই কষ্ট তোমাকে কীভাবে দেই?
অনুরাধা আমি অটো নিয়ে দিবো কী?
পকেট ফাকা, তুমি ভাড়া দিয়ে দিও!
অটো ধরে তুমি বাড়ি চলে যাও সোজা!
চুপচাপ গিয়ে বিয়ে তুমি করে নিও!
তুমি যদি হাসো, তবেই আমি হাসবো!
দূর থেকে আমি অনেক ভালোবাসবো!
আমার কথা ভেবোনা তুমি আর!
একদিন আমি ঠিকই চাকরিটা পাবো!
কবিতাঃ ত্রিকোন
লেখাঃ শাওন সিকদার
২৩/৩/২০২২
৩৩)
দুঃখ তুমি আবার ফিরে এসো,
আগের মতো আবার ভালোবেসো!
দুদিন থেকেই ক্লান্ত হয়ে যাও?
হঠাৎ করে কোন অজানায় হারাও?
ক্ষনিক থেকেও সুখের নামে রটে!
তবুও সবাই সুখের পিছেই ছুটে!
দুঃখ তুমি দুঃখ নামেই থেকো!
ছায়ার মতো আগলে আমায় রেখো!
দুঃখ তোমার দুঃখ ভীষণ মনে?
অভিযোগ সব হঠাৎ দুচোখ কোনে?
দুঃখ তুমি আমার কাছে এসো!
একটু খানি আমার পাশে বসো!
কবিতাঃ সুখ
লেখকঃ শাওন সিকদার
১৩/৬/২২
৩৪)
আবার কভু ইলশেগুঁড়ির রাতে!
হঠাৎ ধরো আমরা দুজন সাথে!
বেলকুনিতে চুপটি করে বসে!
লাজুক তুমি নিশ্চুপ আমার পাশে!
তখন যদি ঝড়ো বাতাস নামে?
মাতাল হয়ে তোমার চুলে থামে?
আমিও যদি মাতাল হয়ে ভুলে,
হারাই তোমার অগোছালো চুলে!
লজ্জাবতী লজ্জা ভীষণ পাবে?
মুচকি হেসে গুটিয়ে তুমি যাবে?
যত্ন করে জড়িয়ে তোমায় নিবো,
নির্ঘুম রাত বৃষ্টি বিলাশ করবো!
কবিতাঃ খানিক সুখ
লেখাঃ শাওন সিকদার
১৯/৬/২২
৩৫)
ভালোবাসা! তোমার নাম কী চাঁদের আলো?
তোমায় ছোয়ার ইচ্ছে হলেও পাইনা কেন বলো?
মিইয়ে যাওয়ার ছলে তুমি অধরা হয়ে গেলে!
চাদের আলো! তুমি কী কভু আমার মানুষ ছিলে?
জানো চাঁদ? আমার ভীষণ গোপন দুঃখ তুমি!
হ্রদমাঝারে আগলে রেখেও হারিয়ে ফেলা আমি!
শুনো! তোমায় আমি চাঁদের আলোই ডাকি!
রাত তো প্রায় শেষের দিকে, সকালের নেই বাকি!
কবিতাঃ চাঁদের আলো
লেখাঃ শাওন সিকদার
৬/২৮/২২
মন্তব্যসমূহ